২০১৯ সাল থেকে hibjaee লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর বিশ্বাস অর্জন করে আসছে। নিরাপদ পেমেন্ট, ন্যায্য গেম এবং স্থানীয় ভাষায় সাপোর্ট — এই তিনটি বিষয় hibjaee-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
২০১৯ সালের কথা। বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং তখন নতুন। কিন্তু যেসব প্ল্যাটফর্ম ছিল, সেগুলোতে বাংলা ভাষায় কিছু বোঝার উপায় ছিল না, পেমেন্টে ঝামেলা ছিল, আর সাহায্যের জন্য কাউকে পাওয়া যেত না। এই শূন্যস্থান পূরণের লক্ষ্যেই hibjaee-র জন্ম।
শুরুটা ছিল ছোট — মাত্র কয়েকজন তরুণ উদ্যোক্তার স্বপ্ন ছিল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো যেটা সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের মানুষের জন্য। শুধু বাংলায় অনুবাদ নয়, বরং পুরো সিস্টেমটাই এদেশের মানুষের সুবিধামতো সাজানো হয়েছে। Mobile Pay, Nagad, রকেটে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল থেকে শুরু করে বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট — সবকিছুতেই বাংলাদেশ প্রথম।
প্রথম বছরেই hibjaee পাঁচ লাখ সদস্যের বিশ্বাস অর্জন করেছিল। আজ সেই সংখ্যা পঞ্চাশ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী — দেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ hibjaee ব্যবহার করছেন।
"আমরা শুধু একটি গেমিং সাইট বানাইনি — আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা তৈরি করেছি।" — hibjaee প্রতিষ্ঠাতা দল
hibjaee বিশ্বাস করে, গেমিং শুধু টাকা জেতার বিষয় নয় — এটা বিনোদন, রোমাঞ্চ এবং সমাজের একটা অংশ। তাই hibjaee সবসময় দায়িত্বশীল গেমিংকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপদ রাখতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে hibjaee আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। প্রথম মাসেই ১০ হাজার সদস্য নিবন্ধন করেন।
দেশীয় মোবাইল ব্যাংকিং সরাসরি যুক্ত হয়। ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল আরও সহজ ও দ্রুত হয়। সদস্য সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
রিয়েল ডিলারসহ লাইভ ক্যাসিনো এবং ক্রিকেট ও ফুটবল বেটিং প্ল্যাটফর্ম একযোগে চালু হয়।
মোবাইল অ্যাপ প্রকাশের পর মাত্র ছয় মাসে ২০ লাখ ডাউনলোড হয়। অ্যাপ বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হয়।
নতুন VIP লয়্যালটি প্রোগ্রাম এবং উন্নত রিওয়ার্ড সিস্টেম চালু হয়। নিয়মিত সদস্যদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।
hibjaee এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন গেমিং কমিউনিটির একটি। নতুন ফিচার ও গেম প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে।
hibjaee শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা একটা অভিজ্ঞতা যেটা বাংলাদেশের মানুষের কথা ভেবে তৈরি।
hibjaee আন্তর্জাতিক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ। কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে তথ্য শেয়ার করা হয় না।
Mobile Pay, Nagad, রকেট — দেশের সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং সংযুক্ত। মাত্র কয়েক মিনিটে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল। লেনদেনে কোনো লুকানো চার্জ নেই।
শুধু অনুবাদ নয় — hibjaee-তে পুরো অ্যাপ, সাপোর্ট, নোটিফিকেশন সব কিছু বাংলায়। বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার ধরনে কথা বলা সাপোর্ট এজেন্ট।
৫০০-এরও বেশি স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ক্রিকেট ও ফুটবল বেটিং — সব এক জায়গায়। বিশ্বের সেরা গেম প্রোভাইডারদের গেম hibjaee-তে পাবেন।
নতুন সদস্যদের জন্য স্বাগত বোনাস, নিয়মিত সদস্যদের জন্য সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক এবং বিশেষ উৎসবে এক্সক্লুসিভ অফার। প্রতিদিন নতুন কিছু পাওয়ার সুযোগ।
যেকোনো সময়, যেকোনো সমস্যায় hibjaee সাপোর্ট টিম পাশে আছে। লাইভ চ্যাটে গড়ে ২ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়। ইমেইলেও ৬ ঘণ্টার মধ্যে বিস্তারিত উত্তর।
শুধু ব্যবসা নয়, hibjaee একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে কিছু মূলনীতি মেনে চলে। এই নীতিগুলোই আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের ভিত্তি।
hibjaee-তে কোনো অনৈতিক কার্যক্রম বা প্রতারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমরা ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতায় আপোস করি না।
hibjaee-র পেছনে আছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার যারা প্রতিদিন আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো করতে কাজ করেন।
১৫ বছরের ফিনটেক ও গেমিং অভিজ্ঞতা। hibjaee-র দৃষ্টিভঙ্গি ও দিকনির্দেশনার মূল কারিগর।
মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ও পেমেন্ট সিস্টেমের বিশেষজ্ঞ। hibjaee অ্যাপের মূল স্থপতি।
৫০০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন।
আন্তর্জাতিক গেমিং রেগুলেশন ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। সব লেনদেন যাচাইয়ের দায়িত্বে আছেন।
hibjaee শুধু একটি গেমিং কোম্পানি নয়, আমরা একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। আমাদের প্ল্যাটফর্মে যারা আসেন তারা যেন নিরাপদে এবং সীমার মধ্যে থেকে আনন্দ উপভোগ করতে পারেন — এটা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।
hibjaee-র প্রতিটি অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে। চাইলে সাময়িক বিরতি নেওয়া যায় বা সেলফ-এক্সক্লুশন করা যায়। পরিবারের কেউ অতিরিক্ত গেম খেলছেন মনে হলে সাপোর্টে জানান — hibjaee সাহায্য করবে।
১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য hibjaee সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। KYC যাচাইয়ের মাধ্যমে এটা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হয়। hibjaee-তে গেম খেলা মানে আনন্দ পাওয়া — এটা যেন বোঝা হয়ে না যায়।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক সীমা নিজেই ঠিক করুন।
যেকোনো সময় অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখুন।
নির্ধারিত সময়ে রিমাইন্ডার সেট করুন।
দীর্ঘমেয়াদে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার সুবিধা।